Kalyan Jewellers, Shabia-Mussaffah, Abu Dhabi

Shop No 1 & 2, Ground Floor
Abu Dhabi- 43680

971-25500733

Call Now

Opens at

<All Articles

দুর্গা পুজোর আনন্দে মাতুন কল্যাণ জুয়েলার্সের সংকল্প কালেকশনের সঙ্গে

বছরের সেরা সময় এসে গেছে! শরৎ-এর অসাধারণ নীল আকাশ, ঢাকের বোল, শিউলির মনমাতানো সুগন্ধ, রঙে রঙে বর্ণময় পুজোমন্ডপ, সেইসঙ্গে সুন্দর সব পোশাকে সজ্জিত নর-নারী, এক কথায় বাংলার পুজোর চিত্রকল্প তো এই-ই । পশ্চিম বঙ্গে আর সেইসঙ্গে দেশের অন্য সব প্রান্তে দুর্গা পুজো উদযাপিত হয় আশ্বিন মাসে । উত্তর ভারতে এই উৎসবের-ই নাম নবরাত্রি ও দশেরা ।
মহিষাসুরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে দেবী দুর্গার জয়লাভ-ই হল দুর্গা পুজো উদযাপনের মূল কথা । দুর্গা পুজো সারা বাংলা জুড়ে আর সেই সঙ্গে পূর্ব ভারতের নানা অংশে নারীশক্তির প্রতীক রূপে বিশেষ জাঁকজমকের মধ্য দিয়েই পালিত হয়ে থাকে । দুর্গা হলেন শক্তি, করুণা, সংকল্প, জ্ঞান, শাস্তিদানের পরাক্রম আর সবশেষে, চিরন্তন সৌন্দর্যের প্রতীক । দুর্গাপ্রতিমাকে উজ্জ্বল রঙের শাড়ি আর সনাতনী বাঙালী গয়নায় সাজানো হয়।
সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে বহু বছর ধরে বঙ্গনারীর যে দৃপ্ত ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়ে থাকে তা মূলত মায়ের এই শক্তির ওপরে প্রতিষ্ঠিত । তাই বাঙালী মেয়েরা এই পুজোয় নিজেদের অন্তস্থ শক্তির উদযাপন করে আর এই কটা দিন নিজেদের সাজিয়ে তোলেন অসামান্য শাড়ি আর সনাতন ও ঐতিহ্যমন্ডিত সব অলঙ্কারে ।
আগত উৎসবের অনেক আগে থেকেই উৎসবের আনন্দ, উত্তেজনা আর রেশটা যে কেউ উপলব্ধি করতে পারেন । এই এগারোটা দিন হয় বছরের সবচেয়ে সুখের, সবচেয়ে আনন্দের । উৎসব উদযাপনে একইভাবে মেতে ওঠেন আবালবৃদ্ধবনিতা আর উপভোগের অঙ্গ হিসেবে সাজিয়ে তোলেন নিজেদের নতুন পোশাকে, বেরিয়ে পড়েন মন্ডপ পরিক্রমায়, সবথেকে সুস্বাদু খাবার চেখে দেখতে আর সবচেয়ে বড় কথা, প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটাতে ।
বাঙালি মেয়েদের কাছে তাঁদের সাজ সম্পূর্ণই হয় না সনাতনী কিছু বাঙালি গয়না ছাড়া । সোনার গয়না হল সবচেয়ে দামী আর বহুমূল্য ধাতু, যা কালোত্তীর্ণ। তাই, আজকের ফ্যাশনের হালকা ডিজাইন-ই হোক, বা ঐতিহ্যপূর্ণ হাতের কাজে ভরা গয়না, সুন্দর সুন্দর শাড়ি সঙ্গে জুটি বেঁধে তা প্রতিটি মেয়ের মধ্যেকার দেবীকে জাগিয়ে তোলে ।
মহাষষ্ঠী: এই দিনে মা দুর্গা আসেন ধরাধামে । এই মহা ষষ্ঠীতে মাকে ঘরে স্বাগত জানানো হয় অকাল বোধন, আমন্ত্রণ এবং অধিবাস-এর মত আচার –অনুষ্ঠানে ।মা আমাদের জীবনের অঙ্গ হয়ে যান পরের কয়েক দিনের এক মনোমুগ্ধকর ধারাবাহিক আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যা পূর্ণতা পায় প্রথাবিহিত পুজোর সৌরভে ঢাকের বোলের তালে তালে । এই দিন টি আবার ঘরে ফেরারও দিন আর সেইজন্যেই প্রত্যেক বঙ্গসন্তানকে তার শিকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয় । মায়ের সঙ্গে তাই বাঙালি ঘরে ফেরে এই কটা দিন প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে ।
এ হল পিছনপানে ফেরার দিন, একসঙ্গে হওয়া আর হাসি-উচ্ছাসে ভেসে যাওয়ার দিন ।
মহাষষ্ঠীর আগে মা দুর্গা, তাঁর পুত্র কন্যা এবং অসুর-এর সাথে দৃশ্যমান হন ধরাধামে । তাঁদের মুখের আবরণ উন্মোচন করা হয় । সিল্কের পোশাকে আর অলঙ্কারে সুসজ্জিত দেব-দেবীরা অস্ত্র হাতে শোভা পান আর সেই সঙ্গেই উৎসবের সূচনা হয়।আলোয় আলোয় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে প্রতিটি কোণ আর প্রান্ত। ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সনাতন বাঙালি গয়নায় সেজে পুরো এলাকাবাসী উৎসবে যোগ দিয়ে প্রাণবন্ত করে তোলে গোটা ব্যাপারটা।
এটা উৎসবের প্রথম দিন বলেই এদিনের অকথিত ড্রেস কোড হল আধা –ক্যাজুয়াল, ইন্দো- ওয়েস্টার্ন সালোয়ার –কুর্তা বা সুতির শাড়ি । সুতরাং, সুন্দর সালওয়ার – কামীজ, বা শাড়িতে, খুবই সামান্য মেক-আপ, একটা সাধারণ আই শ্যাডো বা একটা চাপা শিমার আর একটা স্পষ্ট ওষ্ঠরঞ্জনী, এতেই সেদিনের লুক সারা হয়ে যায়।
দিনের বেলায় উজ্জ্বল আর হালকা শেড বেছে নিন আর সাজ সম্পূর্ণ করতে গলায় পরুন সাধারণ একটি নেকলেস, যেমন সুন্দর একটি পেনডেন্ট সহ সোনার চেন । সঙ্গে থাকুক সহজ সরল অথচ ক্লাসিক সোনার চুড়ি আর হালকা সোনার ঝুমকো বা ঝুমকা ।
সন্ধের সময় পরুন জামদানী বা জমকালো সিল্কের শাড়ি। সঙ্গে কুন্দন দুল বা একটা এয়ারলুম সোনার নেকলেস, যাতে করে সনাতনী আর ঐতিহ্যপূর্ণ সাজটা সম্পূর্ণ হয় ।
মহাসপ্তমী হল উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনার দিন । মা দুর্গার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয় এই দিনে। এক পবিত্র অনুষ্ঠানে দেবীর চক্ষুদান করা হয় আর তিনি নেত্র উন্মোচন করে আমাদের দেখেন প্রথমবার। নববধূর সাজে সজ্জিত কলা বৌ-এর মধ্যে দেবী দুর্গার আত্মা সঞ্চার করা হয়, আর এই প্রথাটিকে বলা হয় ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’ ।
মহাসপ্তমীর আদর্শ সাজ হবে নীল, পিঙ্ক বা হলুদ রঙা জ্যাকার্ড নক্সায় বোনা শাড়ি। একটা ক্লাসি ধরনের আড়ম্বরহীন সালওয়ার স্যুট বা শারারা সহ কুর্তি –তেও চলবে, সঙ্গে বিশেষ মানানসই জুয়েলারী । দিনের বেলায় সাটল ন্যুড বা কোরাল লিপ ।
জুয়েলারীর ক্ষেত্রে, মনে রাখবেন, সবচেয়ে সরলটিই সবথেকে বলিষ্ঠ আবেদন রাখে । তাই, একজোড়া হীরের দুল পরুন বা মীনাকারি করা হাতে তৈরি দুল এবং অনেকগুলো আংটি, আর এতেই আপনার সাজ হয়ে উঠবে অসাধারণ ।
সপ্তমীর সন্ধ্যায় প্রসাধনীতে আনুন মদির আঁখি আর সুস্পষ্ট ওষ্ঠ । মাটিরঙা সাজের সঙ্গে সোনার শাঁখা, পলা আর নোয়া ও সেইসঙ্গে বাংলার নিজস্ব সীতাহার সন্ধ্যার সাজটা সম্পূর্ণ করবে । বহুমূল্য রত্ন, যেমন, চুনী, পান্না বা হীরে খচিত সোনা বা রূপোর বালা লেহেঙ্গা বা শারারা-র সঙ্গে ভালো মানাবে ।
ন্যূনতম প্লাটিনাম ও হোয়াইট গোল্ড জুয়েলারী হালফ্যাশনের আর ফিউশন অনসম্বল। যা উৎকৃষ্ট সেলাইয়ের পোশাকের সঙ্গে ভালো মানাবে ।
মহাষ্টমী : মহাষ্টমীর দিনে সবথেকে সুন্দর শাড়িটা পরুন এয়ারলুম জুয়েলারীর সঙ্গে ।
প্রচলিত বিশ্বাস, এই দিনেই মা দুর্গা মহিষাসুর বধ করেছিলেন, আর তাই এই দিনে নজর থাকে মূলত পুজো দেওয়া অর্থাৎ অঞ্জলি দেওয়া আর সন্ধি পুজো (অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণের ওপরে)-র দিকে ।
মহাষ্টমীর সকালে আমরা সেজে উঠব (মেক-আপের ক্ষেত্রে আমাদের পরামর্শ), সাহসী, নজরকাড়া, লাল ও মেরুনের শেড-এর লিপস্টিক আর ডার্ক আই মেক-আপে । অবশ্য, সবাই (যে কেউই) দিন আর রাতের উৎসবের ধরনটা বুঝে রঙটা সামঞ্জস্য রেখে ব্যবহার করতে পারেন ।
এই দিনে আমাদের ব্যক্তিগত পছন্দ হল ধ্রুপদী বাঙালি চূড়।আর যেহেতু সোনার চুড়ি সৌভাগ্য আর জয়ের প্রতীক, তাই এক বা বহু, যা ইচ্ছে পরুন । অথবা, সুন্দর হাতের দিকে নজর টানতে বেছে নিন ব্রেসলেট কিংবা বালা । সবশেষে সাজ সম্পূর্ণ করতে পরুন চিক বা চোকার সাথে ঝুমকা ।
কানে কারুকাজ করা কান পাশা পরুন কিংবা সাদা, অফ-হোয়াইট বা প্যাস্টেল-রঙা মীনাকরী কান পাশা, যা সৌন্দর্য ও আভিজাত্যকে বেঁধে রাখে । প্রসাধন রাখুন হালকা । আধুনিক নারীর উপযোগী সাজে থাকবে পরম্পরা আর সমকালীনতার এক নিখুঁত সমন্বয়।
সন্ধিপুজো হল দুর্গা পুজোর সবথেকে বড় আর গুরুত্বপূর্ণ আচারগুলোর একটা। অষ্টমী তিথির শেষ 24 মিনিট আর নবমী তিথির প্রথম 24 মিনিট জুড়ে যে সময়, সেটাই হল সন্ধিক্ষণ, যা অষ্টমী ও নবমীর সবচেয়ে পবিত্র সময় । সন্ধিপুজো ভক্তদের মধ্যে এক বিরাট আবেগ সৃষ্টি করে কারন, এই সন্ধিক্ষণেই দেবী চন্ড ও মুন্ড নামের দুই শক্তিশালী অসুরকে বধ করে অশুভের ওপর শুভর জয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ।
সন্ধিপুজোর সময়ে আমরা মায়ের চামুন্ডা রূপের পুজো করি, সঙ্গে সজোরে বাজতে থাকে ঢাক। এটা অশুভের ওপরে শুভর জয়ের প্রতীক আর নারীশক্তির চূড়ান্ত জয়েরও । দেবী দুর্গা হলুদ শাড়িতে শোভিত হয়ে মহিষাসুরের সামনে আবির্ভূতা হন। তিনি সোনালী সুন্দরী রমণীর বেশে সব রকমের অবিচার ও অন্যায়ের অবসান করেন ।
যে কেউ তাই হলুদ বা কোনো উজ্জ্বল রঙের শাড়ি, সোনার ঝুমকো ও সেই সঙ্গে বাংলার ঐতিহ্যপূর্ণ লহরীর নেকলেস কিংবা সাতনরী হার পরতে পারেন সাজ সম্পূর্ণ করতে । এই শুভক্ষণে সঙ্গে সবচেয়ে ভালো মানায় পোল্কি বা কলার নেকলেস । মেক-আপের ক্ষেত্রে বোল্ড লিপ, মায়াময় আইশ্যাডো আর রূপের নজর কাড়তে কোরাল ব্লাশের প্রয়োগ সুন্দর দেখাবে ।
মহা নবমী: মহা নবমীর দিনেই হয় মহা আরতি । আরতির পাত্রের আগুন দেবী দুর্গার অন্তরের অগ্নির প্রতীক, যা, ক্রমশ, তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে জ্বলতে জ্বলতে অন্যায়ের অবসান ঘটায় । এই দিনেই নবরাত্রের উপবাসেরও অন্ত হয়।
নবমীর পুণ্যতিথিতে, আমাদের পরামর্শ পরম্পরা ও সৌন্দর্য়ের মেলবন্ধন ঘটানো। বাংলার সনাতনী তাঁতের শাড়ি আর সেই সঙ্গে ঐতিহ্যপূর্ণ বাঙালি গয়না, এই সাজ-ই মনকেড়ে নেবে ।
নবমীতে নারী সৌন্দর্যে সেজে ওঠে আবেদনভরা আই লুক, শিমার আর আইশ্যাডোর সঙ্গে মানানসই লিপস্টিকের শেড-এ । আর, জুয়েলারীর ক্ষেত্রে আমাদের পছন্দ কালাভি সংকল্প সোনার চুড়ি । যা নিখুত তারে বাঁধানো সৌন্দর্য, জমকালো, সূক্ষ্ম ডিজাইন, মা দুর্গার কৈলাসে ফিরে যাওয়ার আগের দিনের মেজাজের সঙ্গে খুব ভালো যায়।
এই সাজের সঙ্গে গলার হারে থাকুক এমন একটা পেনডেন্ট, যেটা চুড়ি আর সুন্দর ঝোলা দুলের সঙ্গে মানায় ।এই সমন্বয় সাজটাকে ঐশ্বর্যময়ী করে তুলবে, কিন্তু একেবারে “ছাপিয়ে যাওয়া”-র মত কিছু হবে না । পরিশেষে, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ফ্যাশনের দিকে যান, সলিড সিল্যুয়েট আর স্ট্রেট কাট, সঙ্গে অ্যান্টিক একটা হার, এবং সন্ধ্যাবেলায় নাকে সুন্দর ডিজাইনের একটা নথ ।
বিজয়া দশমী :এই দিনে মা দুর্গা কৈলাসে তাঁর স্বামী গৃহের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। ঘট অর্থাৎ একটি জল ও বেলপাতাপূর্ণ পাত্রে প্রতীকি নিরঞ্জনের পর, বিবাহিতা মহিলারা দেবী দুর্গা ও তাঁর স্বামী ভগবান শিবের মিলনের প্রতীক সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন । অশ্রুসজল চোখে মায়ের কপালে সিঁদুর মাখিয়ে, সন্দেশ খাইয়ে ও প্রণাম করে দেবীকে তাঁরা বিদায় জানান ।এরপর, নারীরা একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে নিজেদের বিবাহিত জীবনের গৌরব পালন করেন।
লাল পাড় সাদা শাড়ি, যেটা বাংলার লালপেড়ে সাদা শাড়ি নামেই সমধিক প্রসিদ্ধ, শেষ দিনের উৎসব পালনে সেইটিই পরে নিন। আমরা বলি, সোনার চোকার, কয়েকটা চুড়ি, শাঁখা, পলা ও নোয়া- এইতেই অন্য জাতিকে টেক্কা দেওয়া যাবে অনায়াসে।
সুচারু মকরমুখী একটা বালা পরুন, সঙ্গে কবজিতে য়ার ঝিকমিকানি কানের চন্দ্রবালা দুল, বাংলার অন্যতম পরম্পরার, তার সঙ্গে যা সুন্দর মানায় । এর সঙ্গে হাতে সোনার রতনচূড় (একটি ব্রেসলেট, যার সঙ্গে সরু সোনার চেন দিয়ে যুক্ত প্রতিটি আঙুলের আংটি ) পরা যায় যা দেবে মার্জিত আভিজাত্য. এটা সাধারণত ময়ূর বা পদ্মের নক্সায় তৈরি হয়।

উপসংহার
বাঙালি মেয়ের প্রকৃত সৌন্দর্য যে দুর্গা পুজোর সময়েই ফুটে ওঠে, এটাই প্রচলিত বিশ্বাস । মা হলেন, শান্তি, সুখ, শক্তি আর বিজয়ের প্রতীক । সংকল্প সম্ভার দুর্গা পুজোর মূল সুরেরই অনুরণন করে । বাংলার প্রাণবন্ত উৎসব, বৈচিত্রপূর্ণ সংস্কৃতি আর মানুষের প্রতি এটি এক শ্রদ্ধার্ঘ, যার প্রতিটি অলঙ্কার আঞ্চলিক ক্রেতাদের পছন্দের কথা ভেবে বানানো ।
সূক্ষ্ণহাতে তৈরি অ্যান্টিক জ্য়ুয়েলারি হোক, বা এথনিক কুন্দন সেট, প্রতিটি অলঙ্কার অসাধারণ শৈলীতে নির্মিত, বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন যার সূক্ষাতিসূক্ষ্ম ডিজাইনে, সংকল্প তাই কল্যাণ জুয়েলার্সের এক পরম্পরাগত অলঙ্কাররেখা, যেটিতে কালোত্তীর্ণ ডিজাইন এসে মিশেছে সাবেকী ঐতিহ্যের সমকালীনতায় । পরম্পরাগত এই অলঙ্কাররেখার সম্ভার সৌন্দর্যপূর্ণ অলঙ্কার আর সমৃদ্ধির প্রতীক, উভয়রূপেই সমাদৃত ।
কল্যাণ জুয়েলার্সের এক পরম্পরাগত অলঙ্কার সম্ভার সংকল্প কালেকশন বাংলার সাংস্কৃতিক সুরটিকে প্রকৃত অর্থে ফুটিয়ে তুলেছে, বিশেষ করে দুর্গা পুজোর সময়ে । সূক্ষাতিসূক্ষ্ণ কারিগরী উৎকর্ষ, সুন্দর ডিজাইন ও ত্রুটিমুক্ত সূক্ষ্মতা সংকল্প কালেকশনকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে ।
এই কালেকশন সাবেকী সোনার চূড় ও সীতাহার থেকে হালকা ঝুমকা ও কানপাশা পর্যন্ত আধুনিক ও সনাতনী গয়নার অনায়াস সম্মিলন ঘটিয়েছে। তাই বাংলার শ্বাশ্বত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নমুনা হিসেবে চিরন্তন জুয়েলারীর কিছু কিনতে চাইলে কল্যাণ জুয়েলার্সের সংকল্প কালেকশন দেখতে ভুলবেন না ।

Can we help you?